সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান – ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট । প্রকৃতি প্রেমীর জন্য উত্তম স্থান

 লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান – ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্ট, জীব বৈচিত্রের স্থান । লাউয়াছড়ায় আপনাকে স্বাগতম। যারা প্রকৃতি ও জঙ্গল পছন্দ করেন তাদের জন্য উত্তম জায়গা হচ্ছে লাউয়াছড়া বন। এখানে রয়েছে অনেক পায়ে হাঠা পথ। লাউয়াছড়া হচ্ছে মিশ্র চিরহরিৎ বন। তাছাড়া অনেক বন্য প্রানী রয়েছে। অনেক্ষন হাঠলে কিছু বন্যপ্রানী দেখতে পারবেন। অফিসিয়েলি ৩ টি ভ্রমণ পথ রয়েছে।

  • আধা ঘন্টার পায়ে হাঁটা পথ- এই পথে হাঠলে আপনি দেখতে ও পারবেন, কুলো বানর, সিংহ বানর, চশমা পড়া হনুমান, মুখ পুড়া হনুমান ও উল্লুখ। তবে নিরবতা বন্য প্রানীর দেখা মিলে। যেদিন বেশি পর্যটক ভিড় করে, সে দিন দেখার সম্ভাবনা কম। প্রত্যেকটি প্রানীর অবস্থান আপনি না জানতে পারেন। তাই একজন গাইড সাথে নিয়ে ঘুরতে পারেন। সঠিক তথ্য পাবেন ও নির্দিষ্ট সময়ে ভ্রমণ করতে পারবেন।
  • ১ ঘন্টার পায়ে হাঁটা পথ- এই পথে হাঠলে আপনি দেখতে ও পারবেন, কুলো বানর, সিংহ বানর, চশমা পড়া হনুমান, মুখ পুড়া হনুমান ও উল্লুখ। তবে নিরবতা বন্য প্রানীর দেখা মিলে। যেদিন বেশি পর্যটক ভিড় করে, সে দিন দেখার সম্ভাবনা কম। প্রত্যেকটি প্রানীর অবস্থান আপনি না জানতে পারেন। তাই একজন গাইড সাথে নিয়ে ঘুরতে পারেন। সঠিক তথ্য পাবেন ও নির্দিষ্ট সময়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। এক ঘণ্টার পথে আপনি একটি উপজাতি / আদিবাসী (খাসিয়া জাতি) এর বাড়ি ঘর ও জীবন যাত্রা দেখতে পারবেন।
  • ২ ঘন্টার পায়ে হাঁটা পথ- এই পথে হাঠলে আপনি দেখতে ও পারবেন, কুলো বানর, সিংহ বানর, চশমা পড়া হনুমান, মুখ পুড়া হনুমান ও উল্লুখ। তবে নিরবতা বন্য প্রানীর দেখা মিলে। যেদিন বেশি পর্যটক ভিড় করে, সে দিন দেখার সম্ভাবনা কম। প্রত্যেকটি প্রানীর অবস্থান আপনি না জানতে পারেন। তাই একজন গাইড সাথে নিয়ে ঘুরতে পারেন। সঠিক তথ্য পাবেন ও নির্দিষ্ট সময়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। এক ঘণ্টার পথে আপনি একটি উপজাতি / আদিবাসী (খাসিয়া জাতি) এর বাড়ি ঘর ও জীবন যাত্রা দেখতে পারবেন। তাছাড়া আপনি ইচ্ছে করলে জঙ্গলের একটু গবীরে যেতে পারবেন।
  • ৩ ঘন্টার জঙ্গল ট্রেকিং- এই পথে হাঠলে আপনি দেখতে ও পারবেন, কুলো বানর, সিংহ বানর, চশমা পড়া হনুমান, মুখ পুড়া হনুমান ও উল্লুখ। তবে নিরবতা বন্য প্রানীর দেখা মিলে। যেদিন বেশি পর্যটক ভিড় করে, সে দিন দেখার সম্ভাবনা কম। প্রত্যেকটি প্রানীর অবস্থান আপনি না জানতে পারেন। তাই একজন গাইড সাথে নিয়ে ঘুরতে পারেন। সঠিক তথ্য পাবেন ও নির্দিষ্ট সময়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। এক ঘণ্টার পথে আপনি একটি উপজাতি / আদিবাসী (খাসিয়া জাতি) এর বাড়ি ঘর ও জীবন যাত্রা দেখতে পারবেন।
  • দূরত্বঃ শ্রীমঙ্গল শহর থেকে ৮ কিঃমিঃ।
  • কিভাবেঃ যাবেনঃ রিজার্ভ গাড়ী বা লক্যাল গাড়ীর মাধ্যমে যেতে পারবেন।
  • গাইডের জন্য যোগাযোগ করতে পারেনঃ ০১৬ ৭২ ২০ ১৩ ৪৬ (ফোনে না পাইলে, হোয়াটস এপে মেসেজ দিন)


এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শ্রীমঙ্গলে রেস্টুরেন্ট এর তালিকা

শ্রীমঙ্গলে রেস্টুরেন্ট এর তালিকা চায়ের রাজধানী বলে খ্যাত শ্রীমঙ্গল। তাই এই স্থানের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে দিন দিন। তার সাথে পর্যটকের মনে বাসা বাঁধে শ্রীমঙ্গল দেখার। যদিও শহর টি ছোট, একটি উপজেলা তবুও অনেক গুনে গুণান্বিত। এর প্রচার প্রসার জেলার চেয়েও বেশি। এক সময় ব্রিটিশের অবস্থান এখানেই ছিল বেশি। দিন দিন দেশি বিদেশি পর্যটকের আগমনে স্থানীয় লোকেরা রেস্টুরেন্ট খুলেছেন শ্রীমঙ্গলে । কয়েকটি রেস্টুরেন্টের নাম এখানে দেয়া হলো ।     ( ১ ) কুটুমবাড়ি - খুবই জনপ্রিয় খাবার পরিবেশনকারী রেস্তোরা। অনেক দিন ধরে সুনাম ধরে রাখছে কারন তাদের খাবারের মান ভালো, পরিবেশ ও ভালো। অর্ডারের পরই খাবার রান্না করা হয়।   তার মানে হচ্ছে টাটকা খাবার। সব ধরনের দেশি ও ইন্ডিয়ান খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। পার্সেলে খাবার নেওয়া যায়। শহরের প্রান কেন্দ্রে স্টেশন রোড এ চৌমুহনা সংলগ্ন এই রেস্টুরেন্ট এর অবস্থান। দুপুরের ও রাতের খাবার এর ব্যবস্থা এই রেস্টুরেন্ট করে থাকে। পর্যটকের জন্য পরিবেশ বান্ধব রেস্তোরা।     ( ২ ) পানসী -  ভালো রুচি সম্মত খাবার পাওয়া যায়। ক...

শ্রীমঙ্গল এর হোটেল লিস্ট

শ্রীমঙ্গল এর হোটেল লিস্ট পর্যটকদের সুবিধার্থে কিছু ব্যবসায়ী আবাসন ব্যাবস্থা করেছেন। সব ধরনের হোটেল রয়েছে এখানে। যারা বাজেট হোটেলে থাকতে চান তাদের জন্য অনেক হোটেল শ্রীমঙ্গলে রয়েছে। মোট হোটেল প্রায় ৫০ টি। বাজেট হোটেল ও পাঁচ তারকা মানের হোটেল আছে। প্রত্যেক হোটেল ১০০ ভাগ নিরাপত্তা রয়েছে। কয়েকটি হোটেলের নাম হলোঃ (১) গ্র্যান্ড সুলতান রিজোর্ট (২) দুসাই রিজোর্ট (৩) নভেম রিজোর্ট (৪) আমার বাড়ী রিজোর্ট (৫) টি হ্যাভেন রিজোর্ট (৬) গ্র্যান্ড সেলিম রিজোর্ট (৭) বালিশিরা রিজোর্ট (৮) হোটেল চা (৯) শান্তি বাড়ী কটেজ (১০) নিসর্গ কটেজ (১১) শ্রীমঙ্গল ইন (১২) টি টাউন হোটেল (১৩) গ্রীন লিফ গেস্ট হাউস (১৪) প্লাজা হোটেল (১৫) লেমন গার্ডেন রিজোর্ট (১৬) গ্রান্ড হোটেল (১৭) নিউ রেডিসন হোটেল (১৮) হার্মিটেজ গেস্ট হাউস।  

হামহাম জলপ্রপাত

স্বাগতম আপনাকে বাংলাদেশের প্রশস্ত জলপ্রপাত হামহামে। এই জলপ্রপাত আদুমপুর রাজকান্দি বিটে ভারত সীমান্তবর্তি এলাকায় অবস্থিত। জলপ্রপাতটি ভ্রমন করতে হলে প্রায় ৫ কিলোমিটার পাহাড়ি উঁচু নিচু পায়ে চলা পথ ও ছড়া পথ অতিক্রম করে যেতে হবে। শুধু দুঃসাহসী পর্যটকের জন্য উপযুক্ত। এখানে গাইড বাধ্যতামূলক। কারন গহীন বন, ভারত সীমান্ত এলাকা। রাস্তা ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। নিরাপত্তার জন্য গাইড প্রয়োজন।  কিভাবে যাবেনঃ রিজার্ভ গাড়ীতে যেতে হবে। শ্রীমঙ্গল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে।  শ্রীমঙ্গলে ভাড়া গাড়ী পাওয়া যায়। এখান থেকে ভাড়া করে সারাদিনের জন্য ভ্রমন করতে পারেন হামহাম ঝর্ণা।